- BMET বা সরকারি তালিকাভুক্ত এজেন্সি বেছে নিন
- চাকরির চুক্তিপত্র ভালোভাবে পড়ে নিন।
- পুরো টাকাটা কাজ পাওয়ার পর দিন।
- বীমা ও নিরাপত্তা যাচাই করুন
- অনুমোদিত ফ্লাইট ও রুট ব্যবহার করুন
কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শেয়ারিং ভিত্তিক বাসস্থান বেশ জনপ্রিয়, বিশেষ করে ব্যাচেলর ও কম আয়ের কর্মজীবীদের মধ্যে। এধরনের বাসস্থান তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী এবং সামাজিকভাবে উপযোগী।
কুয়েতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী বসবাস করেন, বিশেষ করে কুয়েত সিটি, ফারওয়ানিয়া, হাওলি, ও জলিব-আল-শুইখ এলাকায়।
বাংলাদেশি কমিউনিটি বিভিন্ন উপায়ে নতুন অভিবাসীদের সহায়তা করে থাকে:
যোগাযোগ মাধ্যম:
বাংলাদেশি ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটি, স্থানীয় মসজিদ ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা হয়।
কুয়েতে অভিবাসী শিশুদের জন্য সরকারি স্কুলে ভর্তি সীমিত, তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও প্রাইভেট স্কুল রয়েছে যেখানে তারা পড়াশোনা করতে পারে।
কুয়েতে অভিবাসী হিসেবে জীবন শুরু করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও, বাংলাদেশি কমিউনিটির সহায়তা, সঠিক প্রস্তুতি, এবং আইন মেনে চললে জীবনযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ হয়ে ওঠে। কাজের সুযোগ, আবাসন, শিক্ষা ও সামাজিক সংযোগ—সব মিলিয়ে কুয়েত প্রবাস জীবনে সফল হতে হলে সামগ্রিকভাবে মানিয়ে নেওয়া ও পরিকল্পিত জীবনধারা অনুসরণ করা জরুরি।
অনেক দালাল ও ভুয়া এজেন্সি শ্রমিকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সঠিক তথ্য ছাড়া কাউকে টাকা দেবেন না এবং যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।