বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সাধারণত নিম্ন-মধ্যম মানের বাসস্থানে শেয়ারিংয়ে থাকার ব্যবস্থা বেশ জনপ্রিয়। ব্যাচেলরদের জন্য সাধারণত ৪-৬ জন একসঙ্গে ফ্ল্যাট বা রুম শেয়ার করেন, যাতে মাসিক খরচ কমানো যায়।

  • শেয়ারিং ফ্ল্যাটে ভাড়া: ৫০০-১৫০০ রিয়াল (লোকেশন ও সুবিধার ওপর নির্ভর করে)
  • শ্রমিকদের জন্য কোম্পানির ব্যারাক বা ডরমিটরি ব্যবস্থা থাকলে তা আরও সাশ্রয়ী হয়

বাংলাদেশি কমিউনিটি ও সহায়তা:

সৌদি আরবে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন, বিশেষ করে রিয়াদ, জেদ্দা, দাম্মাম ও মদিনায়। বাংলাদেশি কমিউনিটির মাধ্যমে নতুনদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পাওয়া যায়, যেমন:

  • কাজ খোঁজা ও বাসা ভাড়া সংক্রান্ত তথ্য
  • ভাষাগত সহায়তা ও স্থানীয় নিয়ম-কানুন শেখানো
  • সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ
  • বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি দোকান ও খাবারের রেস্টুরেন্টে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার পাওয়া যায়

প্রবাসী বাংলাদেশিরা সাধারণত অনলাইন কমিউনিটি, ফেসবুক গ্রুপ, মসজিদ, এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকেন।

সৌদি আরবে নতুন অভিবাসীদের জন্য বাংলাদেশি কমিউনিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বসবাসের জন্য তাদের সাহায্য নেওয়া উচিত


 

সৌদি আরবে বাংলাদেশি অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য সরকারি স্কুলগুলো সাধারণত উন্মুক্ত নয়, তবে তারা বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক স্কুলে পড়তে পারে।

  • বেশিরভাগ অভিবাসী শিশু ব্রিটিশ, আমেরিকান, বা আইবি কারিকুলামের স্কুলে পড়ে।
  • বাংলাদেশি কমিউনিটির কিছু স্কুল রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ কারিকুলাম অনুসরণ করা হয়।
  • বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিছু স্কলারশিপ সুযোগ রয়েছে, তবে সেগুলো মূলত সরকারি অনুমোদনের উপর নির্ভরশীল

সৌদি আরবে অভিবাসী জীবন অনেক সুযোগ ও চ্যালেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত। আইন-কানুন মেনে চললে এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সাথে যুক্ত থাকলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়।

সৌদি আরবে জীবনযাত্রার ধরণ

সৌদি আরবের সংস্কৃতি ইসলামিক শারিয়া আইনের উপর ভিত্তি করে, যা অভিবাসীদের অবশ্যই মানতে হয়। দেশটি রক্ষণশীল, যেখানে পুরুষ ও নারীদের পোশাক বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। পাবলিক প্লেসে অন্তরঙ্গতা প্রদর্শন, অ্যালকোহল পান, এবং ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের আবহাওয়া গরম ও শুষ্ক, তাই নতুন অভিবাসীদের শুরুতে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে

বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য সাধারণত রিয়াদ, জেদ্দা, মক্কা, মদিনা ও দাম্মামের মতো শহরগুলোতে থাকার সুযোগ বেশি। এসব শহরে ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা, বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ও বাজার সহজলভ্য হওয়ায় অভিবাসীরা তুলনামূলকভাবে আরামদায়কভাবে থাকতে পারেন



বাসস্থান ও ব্যয়:

 

সৌদি আরবে বসবাসের ব্যয় শহরভেদে পরিবর্তিত হয়। বড় শহরগুলোর তুলনায় ছোট শহর ও গ্রামের জীবনযাত্রার খরচ কম।

বাসা ভাড়া: বাংলাদেশিদের মধ্যে বেশিরভাগ লোক শেয়ার বেসিসে থাকে।

খাবার: বাংলাদেশি খাবার সহজেই পাওয়া যায়, তবে দাম তুলনামূলক বেশি হতে পারে।পরিবহন: পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সীমিত, তবে বাস ও ট্যাক্সি সহজলভ্য।

  • 1

    টিকিট বুকিং ও প্রস্তুতি

    অনলাইনে টিকিট বুকিং, ভিসা ও লাগেজ প্রস্তুত
  • 2

    বিমানবন্দরে চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন

    বোর্ডিং পাস সংগ্রহ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া
  • 3

    ফ্লাইট ও যাত্রা

    নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইটে উঠুন ও ভ্রমণ করুন
  • 4

    সৌদি আরবে অবতরণ ও ইমিগ্রেশন

    ইমিগ্রেশন পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছান

প্রতারক এজেন্সি থেকে বাঁচার উপায়

অনেক দালাল ও ভুয়া এজেন্সি শ্রমিকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সঠিক তথ্য ছাড়া কাউকে টাকা দেবেন না এবং যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।