
সৌদি আরবে ব্যাংকিং প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়
সৌদি আরবে ব্যাংকিং প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। নিচে কিছু
বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা এখন অনেক সহজ হয়েছে, বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির ফলে। একজন বাংলাদেশি নাগরিক চাইলে খুব সহজেই সঞ্চয়ী (Savings) বা চলতি (Current) অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। নিচে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ধাপসমূহ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো।
বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নথির প্রয়োজন হয়। নিচে উল্লেখিত নথিগুলো ব্যাংকে জমা দিতে হবে—
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট – এটি বাধ্যতামূলক এবং পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয়।
পাসপোর্ট সাইজের ছবি – সাধারণত ২-৩ কপি ছবি দিতে হয়।
নমিনির (Nominee) ছবি ও পরিচয়পত্র – নমিনি মানে হলো এমন একজন ব্যক্তি, যিনি অ্যাকাউন্টধারীর অনুপস্থিতিতে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
টিআইএন সার্টিফিকেট (প্রয়োজনে) – কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN) লাগতে পারে।
ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিল) – ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে চাকরির পরিচয়পত্র (Employee ID) বা বেতন স্লিপ – কর্মস্থলের তথ্যের জন্য অনেক ব্যাংক এটি চায়।
ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স – যদি কেউ ব্যবসায়ী হন, তাহলে ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে—
প্রথমে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলবেন। কিছু জনপ্রিয় ব্যাংক হলো—
ব্যাংকে গিয়ে অথবা অনলাইনে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। ফর্মটি যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে।
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ছবি, নমিনির তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
অনেক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত রাখে। সাধারণত এটি ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে (ব্যাংক ও অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী)।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার প্রদানকৃত তথ্য ও নথিপত্র যাচাই করবে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে ২-৭ কর্মদিবসের মধ্যে আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।
একবার অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গেলে, আপনি ব্যাংক থেকে চেকবই, এটিএম কার্ড বা ডেবিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
বর্তমানে অনেক ব্যাংক অনলাইন অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দিচ্ছে। যেমন— ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, নগদ, বিকাশ, ইউপে ইত্যাদি।
অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবহার করলে, ব্যাংকে না গিয়েই অর্থ লেনদেন, বিল পেমেন্ট ও অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।
অনেক দালাল ও ভুয়া এজেন্সি শ্রমিকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সঠিক তথ্য ছাড়া কাউকে টাকা দেবেন না এবং যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

সৌদি আরবে ব্যাংকিং প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। নিচে কিছু

সৌদি আরবে বৈধভাবে কাজ করতে হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অত্যন্ত জরুরি। এতে বেতন গ্রহণ, বিল পরিশোধ এবং দেশে টাকা পাঠানো

বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর জন্য সৌদি আরবে নানা বিকল্প উপলব্ধ রয়েছে। আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন: আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার