
General Visa Saudi
সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো visa.visitsaudi.com। এছাড়াও, আপনি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি ভিসার জন্য
সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর সমস্ত উপায়
প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে নিয়মিতভাবে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে থাকেন। বর্তমানে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন অনুমোদিত মাধ্যম রয়েছে, যা সহজ, নিরাপদ এবং দ্রুত লেনদেনের সুবিধা প্রদান করে। উপযুক্ত মাধ্যম বেছে নিলে রেমিট্যান্স প্রেরণের খরচ কম হয় এবং অর্থ দ্রুত পৌঁছে যায়। নিচে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন উপায়, তাদের সুবিধা ও বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো।
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো
সৌদি আরবের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি বাংলাদেশে টাকা পাঠানো সম্ভব। ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হলে এটি সবচেয়ে নিরাপদ হয় এবং সরকার স্বীকৃত হওয়ায় কোনো ধরনের জটিলতা থাকে না। নিচে কিছু জনপ্রিয় সৌদি ব্যাংকের নাম উল্লেখ করা হলো—
Al Rajhi Bank
Saudi National Bank (SNB)
Riyad Bank
Arab National Bank (ANB)
Banque Saudi Fransi
Alinma Bank
Saudi Investment Bank
১. প্রথমে সৌদি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখায় যান বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপে লগইন করুন।
২. বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রদান করুন।
আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য SWIFT কোড ব্যবহার করুন।
৪. সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পর টাকা পাঠান।
৫. সাধারণত ১-৩ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা বাংলাদেশে পৌঁছে যায়।
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে এটি নিরাপদ ও সরকারি অনুমোদিত হয়।
টাকা পাঠানোর জন্য বাংলাদেশি ব্যাংকের SWIFT কোড প্রয়োজন হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২.৫% সরকারি রেমিট্যান্স প্রণোদনা পেতে পারেন, যা অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা হিসেবে যোগ হয়।
এটি অন্যান্য মাধ্যমের তুলনায় কিছুটা সময়সাপেক্ষ, তবে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ।
মানি ট্রান্সফার কোম্পানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স
প্রবাসীরা সহজে ও দ্রুত রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার কোম্পানির মাধ্যমেও টাকা পাঠাতে পারেন। এই মাধ্যমগুলো সাধারণত কম সময়ে অর্থ পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দেয়।
Western Union
MoneyGram
RIA Money Transfer
Transfast
Xpress Money
টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া:
১. সৌদিতে অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ বা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রেরণ করুন।
২. প্রাপকের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্টের কপি প্রদান করুন।
৩. বাংলাদেশে থাকা প্রাপক তার নির্ধারিত এজেন্ট পয়েন্ট বা ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
৪. অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৩০ মিনিট থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়।
টাকা পাঠানোর জন্য প্রেরকের পাসপোর্ট বা ইকামা প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশে টাকা তোলার জন্য NID বা পাসপোর্ট লাগবে।
লেনদেনের আগে এজেন্ট ফি এবং কারেন্সি রেট যাচাই করা উচিত, যাতে অতিরিক্ত খরচ না হয়।
এই মাধ্যমটি দ্রুত অর্থ পাঠানোর জন্য আদর্শ হলেও, ব্যাংকের তুলনায় কিছুটা বেশি চার্জ লাগতে পারে।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) এর মাধ্যমে রেমিট্যান্স
বর্তমানে ডিজিটাল লেনদেনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণে bKash (বিকাশ), Rocket (রকেট), Nagad (নগদ) এর মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) মাধ্যমে সরাসরি রেমিট্যান্স পাঠানো যাচ্ছে।
bKash (বিকাশ) রেমিট্যান্স
Rocket (রকেট)
Nagad (নগদ)
টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া:
১. সৌদি আরব থেকে Western Union, MoneyGram, RIA Money Transfer, Transfast বা অন্যান্য অনুমোদিত এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টাকা পাঠান।
২. প্রাপক বাংলাদেশে বিকাশ, রকেট, নগদ অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পেয়ে যাবেন।
৩. গ্রাহক তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন বা নিকটস্থ এজেন্ট পয়েন্ট থেকে নগদ টাকা সংগ্রহ করতে পারবেন।
তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং সহজ পদ্ধতি।
সরাসরি বিকাশ/নগদে টাকা গেলে ব্যাংকে যাওয়ার দরকার নেই।
কম খরচে ও সুবিধাজনকভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব।
এটি নিরাপদ, তবে টাকা তোলার জন্য নম্বর সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।
এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো
অনেক প্রবাসী সৌদি আরবের বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউস ব্যবহার করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে থাকেন। এটি ব্যাংকের মতোই নিরাপদ, তবে তুলনামূলকভাবে দ্রুত।
Enjaz Banking Services
Al Rajhi Exchange
Tahweel Al Rajhi
SNB Quick Pay
Telex Transfer (TT) Services
১. নিকটস্থ অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ অফিসে যান।
২. প্রাপকের তথ্য (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্যাশ পিকআপ) প্রদান করুন।
৩. টাকা পাঠানোর পর রসিদ সংগ্রহ করুন।
৪. সাধারণত ১-২ দিনের মধ্যে টাকা চলে আসে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সরকার অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ ব্যবহার করুন।
লেনদেনের আগে এক্সচেঞ্জ রেট ও ফি যাচাই করুন।
টাকা পাঠানোর রসিদ সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধান করা যায়।
অনেক দালাল ও ভুয়া এজেন্সি শ্রমিকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সঠিক তথ্য ছাড়া কাউকে টাকা দেবেন না এবং যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।
আপনার কষ্টের টাকা নিরাপদে পাঠান! প্রতারণা এড়াতে কুইজটি দিন!
সঠিক উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য আপনার জ্ঞান পরীক্ষা করুন এবং নিরাপদ চ্যানেল বেছে নিন!

সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো visa.visitsaudi.com। এছাড়াও, আপনি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি ভিসার জন্য

কর্মসংস্থান ভিসা (Employment Visa) প্রয়োজনীয়তা: মূল পাসপোর্ট, যা কমপক্ষে ছয় (6) মাসের জন্য বৈধ হতে হবে এবং এতে অন্তত দুই (2) পরপর খালি ভিসা পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে ব্যাংকিং প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। নিচে কিছু সাধারণ ব্যাংকিং স্ক্যাম ও প্রতিরোধের