
General Visa Saudi
সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো visa.visitsaudi.com। এছাড়াও, আপনি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি ভিসার জন্য
সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ এবং সেখানে কাজের সুযোগও প্রচুর। প্রতি বছর হাজার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক সৌদি আরবে কাজের উদ্দেশ্যে যান। কিন্তু সৌদি আরবে বৈধভাবে কাজ করতে হলে সঠিক ওয়ার্ক ভিসা (Work Visa) নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সৌদি সরকার নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতি দিয়ে থাকে এবং এই ভিসা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হয়।
অনেক সময় দেখা যায়, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেকেই প্রতারিত হন বা অবৈধ পথে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। তাই সৌদি আরবে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য সঠিক ও বৈধ পদ্ধতি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিবন্ধে সৌদি আরবে কাজের ভিসার ধরন, আবেদন প্রক্রিয়া, এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
সৌদি আরবে কাজ করতে হলে ওয়ার্ক ভিসা নিতে হয়। এটি সৌদি আরব সরকার অনুমোদিত কোম্পানি বা স্পন্সরের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সাধারণত বাংলাদেশি শ্রমিকরা নির্মাণ, ড্রাইভিং, চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পান।
সৌদি আরবে কাজের ভিসা পাওয়ার প্রধান দুটি উপায় রয়েছে—
বাংলাদেশের সরকার অনুমোদিত ম্যানপাওয়ার রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে কাজের জন্য ভিসা পাওয়া যায়। এই এজেন্সিগুলো সৌদি আরবের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের ব্যবস্থা করে। ম্যানপাওয়ার এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুবিধা হলো—
* নির্দিষ্ট চাকরির নিশ্চয়তা থাকে।
* বাসস্থান ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানি থেকে প্রদান করা হয়।
* ভিসা প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এজেন্সির মাধ্যমে সহজে সম্পন্ন করা যায়।
তবে, কোনো অবৈধ বা অনুমোদনহীন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা নেওয়া হলে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কাজের ভিসা নেওয়ার আগে বিএমইটি (BMET) এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
সরাসরি সৌদি আরবের কোনো কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার (Employer) মাধ্যমে ভিসা পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা নিজেই কর্মীর জন্য ওয়ার্ক ভিসার ব্যবস্থা করেন। স্পন্সরের মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার সুবিধা হলো—
* নির্দিষ্ট কোম্পানিতে কাজের নিশ্চয়তা থাকে।
* অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানিই বিমান টিকিট ও অন্যান্য ব্যয় বহন করে।
* সরাসরি নিয়োগ হওয়ায় মধ্যস্থতাকারী এজেন্সির বাড়তি ফি দিতে হয় না।
তবে, সরাসরি চাকরির অফার পেলে সেটি প্রামাণিক ও বৈধ কিনা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দালাল বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ভিসা নিতে গেলে প্রতারণার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
কাজের ধরন অনুযায়ী ভিসার শ্রেণি :
সৌদি আরবে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য আলাদা আলাদা ভিসা দেওয়া হয়। নিচে বিভিন্ন পেশার ভিত্তিতে ভিসার শ্রেণিবিভাগ করা হলো—
🔹 কর্মী (Labor) ভিসা – নির্মাণ শ্রমিক, ক্লিনার, গৃহকর্মী ইত্যাদির জন্য এই ভিসা প্রদান করা হয়। সাধারণত এই পেশার শ্রমিকদের জন্য সৌদি আরবে অনেক সুযোগ থাকে।
🔹 ড্রাইভার ভিসা – যারা লাইট বা হেভি ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতে চান, তাদের জন্য এই বিশেষ ভিসা দেওয়া হয়। সৌদি আরবে ড্রাইভিং কাজের চাহিদা বেশি থাকায় এটি একটি ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে।
🔹 স্কিল্ড ওয়ার্কার ভিসা – দক্ষ শ্রমিক যেমন ইলেকট্রিশিয়ান, মেকানিক, ওয়েল্ডার ইত্যাদির জন্য এই ধরনের ভিসা দেওয়া হয়। যারা টেকনিক্যাল কাজ জানেন, তাদের জন্য এটি বেশ লাভজনক।
🔹 প্রফেশনাল ভিসা – উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন পেশাদার যেমন ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ইত্যাদির জন্য এই ভিসা বরাদ্দ করা হয়।
⚠️ সতর্কতা: কোনো দালাল বা অবৈধ সংস্থার মাধ্যমে ভিসা নেওয়া উচিত নয়। কারণ এতে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং পরবর্তীতে আইনগত জটিলতায় পড়তে হতে পারে।
সৌদি আরবে কাজের জন্য যাওয়ার আগে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অনুসরণ করতে হয়। সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে ভিসা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
১. বৈধ পাসপোর্ট – পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
২. চাকরির অফার লেটার – সৌদি আরবের স্পন্সর বা কোম্পানির পক্ষ থেকে চাকরির নিশ্চয়তা পত্র থাকা আবশ্যক।
৩. মেডিকেল রিপোর্ট – সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Medical Test) বাধ্যতামূলক। সরকার অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
৪. সৌদি ওয়ার্ক ভিসা অনুমোদন পত্র – নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে ভিসার অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
৫. বিএমইটি (BMET) নিবন্ধন – বাংলাদেশ সরকারের বিএমইটি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
৬. বিমান টিকিট ও ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স – সৌদি আরবে যাওয়ার আগে বৈধ বিমান টিকিট এবং ইমিগ্রেশন অনুমোদন নিতে হবে।
অনেক দালাল ও ভুয়া এজেন্সি শ্রমিকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সঠিক তথ্য ছাড়া কাউকে টাকা দেবেন না এবং যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সৌদি ভিসার জন্য আবেদন করার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো visa.visitsaudi.com। এছাড়াও, আপনি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি ভিসার জন্য

কর্মসংস্থান ভিসা (Employment Visa) প্রয়োজনীয়তা: মূল পাসপোর্ট, যা কমপক্ষে ছয় (6) মাসের জন্য বৈধ হতে হবে এবং এতে অন্তত দুই (2) পরপর খালি ভিসা পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে ব্যাংকিং প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। নিচে কিছু সাধারণ ব্যাংকিং স্ক্যাম ও প্রতিরোধের

সৌদি আরবে বৈধভাবে কাজ করতে হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অত্যন্ত জরুরি। এতে বেতন গ্রহণ, বিল পরিশোধ এবং দেশে টাকা পাঠানো সহজ হয়। যে নথিগুলো প্রয়োজন:

বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর জন্য সৌদি আরবে নানা বিকল্প উপলব্ধ রয়েছে। আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন: আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার কোম্পানি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন (Western Union)

সৌদি আরবের ব্যাংকিং ব্যবস্থা বাংলাদেশ থেকে বেশ আলাদা। সৌদি পৌঁছানোর পর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা আপনার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, কারণ এখানে বেশিরভাগ আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের